তাওয়াফ হজ ও ওমরাহর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। পবিত্র কাবা শরীফের চারদিকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাতবার প্রদক্ষিণ করাকে তাওয়াফ বলা হয়। হজ বা ওমরাহ পালনের সময় তাওয়াফ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাওয়াফ শুরু করার নিয়ম, চক্কর গণনা, হাজরে আসওয়াদ, রুকনে ইয়ামানি এবং তাওয়াফের নামাজ সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকা প্রত্যেক হজ ও ওমরাহ পালনকারীর জন্য প্রয়োজনীয়।
এই গাইডে তাওয়াফ করার সঠিক নিয়ম, সাত চক্কর সম্পন্ন করার পদ্ধতি, তাওয়াফের সময় পড়ার দোয়া, পুরুষদের জন্য প্রযোজ্য কিছু সুন্নত এবং তাওয়াফের সময় যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে, তা সহজভাবে তুলে ধরা হলো।
তাওয়াফ কী?
তাওয়াফ হলো পবিত্র কাবা শরীফের চারদিকে প্রদক্ষিণ করা। তাওয়াফের সময় কাবা শরীফ বাম পাশে রেখে হাজরে আসওয়াদ থেকে শুরু করে আবার হাজরে আসওয়াদ বরাবর ফিরে আসতে হয়। এভাবে এক চক্কর সম্পন্ন হয় এবং মোট সাত চক্করে একটি তাওয়াফ পূর্ণ হয়।
হজ ও ওমরাহর বিভিন্ন পর্যায়ে তাওয়াফ করা হয়। যেমন, ওমরাহর তাওয়াফ, তাওয়াফে কুদুম, তাওয়াফে ইফাদা এবং তাওয়াফে বিদা। এসব তাওয়াফের প্রত্যেকটির আলাদা প্রেক্ষাপট ও বিধান রয়েছে।
তাওয়াফ করার আগে কী কী প্রস্তুতি নিতে হবে?
তাওয়াফ শুরু করার আগে কিছু বিষয় নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এতে ইবাদতটি সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে সুবিধা হয়।
১. ওযু করে নিন
তাওয়াফের আগে ওযু করে নেওয়া জরুরি সতর্কতার বিষয়। অধিকাংশ আলেমের মতে, তাওয়াফের জন্য ছোট ও বড় অপবিত্রতা থেকে পবিত্র থাকা শর্ত। তাই তাওয়াফের আগে ওযু করে নিন এবং ওযু নষ্ট হলে নিজের অনুসৃত মাজহাব অনুযায়ী নির্ভরযোগ্য আলেমের পরামর্শ নিন।
২. শরীর ও পোশাক পবিত্র রাখুন
তাওয়াফের সময় শরীর ও পোশাক নাপাকি থেকে মুক্ত থাকতে হবে। পুরুষদের ইহরামের পোশাক এবং নারীদের শালীন ও পর্দাসম্মত পোশাক পরতে হবে।
৩. তাওয়াফের স্থান সম্পর্কে ধারণা রাখুন
তাওয়াফ মসজিদুল হারামের নির্ধারিত এলাকায় করতে হয়। কাবা শরীফের চারদিকে চলার সময় ভিড়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখুন এবং অন্য মুসল্লিদের কষ্ট হয় এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন।
তাওয়াফ করার সঠিক নিয়ম: ধাপে ধাপে
ধাপ ১: তাওয়াফের নিয়ত করুন
তাওয়াফ শুরু করার আগে মনে মনে যে তাওয়াফ পালন করছেন, তার নিয়ত করুন। যেমন, ওমরাহর তাওয়াফ হলে ওমরাহর তাওয়াফের নিয়ত করবেন। নিয়ত মুখে উচ্চারণ করা বাধ্যতামূলক নয়।
ধাপ ২: হাজরে আসওয়াদ থেকে শুরু করুন
তাওয়াফ হাজরে আসওয়াদ বরাবর শুরু করতে হয়। হাজরে আসওয়াদ কাবা শরীফের একটি পবিত্র কোণে অবস্থিত কালো পাথর।
সম্ভব হলে হাজরে আসওয়াদ চুম্বন করুন। ভিড় থাকলে ধাক্কাধাক্কি না করে দূর থেকে ডান হাতের ইশারা করে বলুন:
الله أكبر
উচ্চারণ: আল্লাহু আকবার।
অর্থ: আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ।
হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ বা চুম্বন করা সুন্নত, তবে এর জন্য ভিড়ের মধ্যে নিজেকে বা অন্যকে কষ্ট দেওয়া উচিত নয়।
ধাপ ৩: কাবা শরীফ বাম পাশে রাখুন
কাবা শরীফকে নিজের বাম পাশে রেখে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে চলতে হবে। তাওয়াফের পুরো সময় কাবা শরীফ বাম পাশে থাকবে।
তাওয়াফের সময় কাবা শরীফের দেয়াল, হাতিম বা অন্য কোনো অংশের ওপর দিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকুন। বিশেষ করে হাতিমের ভেতর দিয়ে গেলে তাওয়াফের চক্কর সম্পূর্ণ হবে না, কারণ হাতিম কাবা শরীফের অংশ হিসেবে বিবেচিত।
ধাপ ৪: সাতটি চক্কর সম্পন্ন করুন
হাজরে আসওয়াদ থেকে যাত্রা শুরু করে কাবা শরীফের চারদিকে ঘুরে আবার হাজরে আসওয়াদ বরাবর ফিরে এলে এক চক্কর পূর্ণ হবে।
এভাবে মোট সাতটি চক্কর সম্পন্ন করতে হবে। প্রতিটি চক্কর শেষ হওয়ার সময় হাজরে আসওয়াদ বরাবর পৌঁছালে পরবর্তী চক্কর শুরু হবে।
ধাপ ৫: তাওয়াফ শেষে দুই রাকাত নামাজ পড়ুন
সাত চক্কর পূর্ণ হলে তাওয়াফের দুই রাকাত নামাজ আদায় করুন। সম্ভব হলে মাকামে ইব্রাহিমের পেছনে নামাজ পড়ুন। সেখানে ভিড় থাকলে মসজিদুল হারামের অন্য উপযুক্ত স্থানে নামাজ আদায় করা যায়।
তাওয়াফের সাত চক্কর কীভাবে গণনা করবেন?
তাওয়াফের প্রতিটি চক্কর হাজরে আসওয়াদ থেকে শুরু হয়ে আবার হাজরে আসওয়াদ বরাবর ফিরে এলে সম্পন্ন হয়। সাত চক্কর পূর্ণ হলেই তাওয়াফ শেষ হবে।
চক্কর গণনার সময় নিচের বিষয়গুলো মনে রাখুন:
-
হাজরে আসওয়াদ থেকে প্রথম চক্কর শুরু করুন।
-
কাবা শরীফের চারদিকে একবার ঘুরে হাজরে আসওয়াদ বরাবর ফিরে এলে এক চক্কর পূর্ণ হবে।
-
একই নিয়মে মোট সাতটি চক্কর সম্পন্ন করুন।
-
চক্করের সংখ্যা নিয়ে সন্দেহ হলে নিজের অনুসৃত মাজহাব অনুযায়ী করণীয় জেনে নিন। অনেক ফিকহি মত অনুযায়ী, সন্দেহ হলে কম সংখ্যাটি ধরে বাকি চক্কর পূর্ণ করতে হয়।
তাওয়াফের সময় কোন দোয়া পড়তে হয়?
তাওয়াফের প্রতিটি চক্করের জন্য আলাদা বাধ্যতামূলক দোয়া নির্ধারিত নেই। তাওয়াফের সময় আল্লাহর জিকির, তাকবির, কোরআন তিলাওয়াত এবং নিজের ভাষায় দোয়া করা যায়।
হাজরে আসওয়াদ বরাবর পৌঁছালে
হাজরে আসওয়াদ বরাবর পৌঁছে সম্ভব হলে চুম্বন বা স্পর্শ করুন। ভিড় থাকলে দূর থেকে ডান হাতের ইশারা করে বলুন:
الله أكبر
উচ্চারণ: আল্লাহু আকবার।
অর্থ: আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ।
রুকনে ইয়ামানি ও হাজরে আসওয়াদের মধ্যবর্তী দোয়া
রুকনে ইয়ামানি থেকে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত নিচের দোয়াটি পড়া সুন্নত হিসেবে বর্ণিত হয়েছে:
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
উচ্চারণ: রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাতাঁও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাঁও ওয়া কিনা আজাবান্নার।
অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দান করুন, আখিরাতেও কল্যাণ দান করুন এবং আমাদের জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।
তাওয়াফের অন্যান্য সময়ে
তাওয়াফের সময় নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী দোয়া করতে পারেন। আল্লাহর কাছে ক্ষমা, হেদায়েত, সুস্থতা, পরিবারের কল্যাণ এবং হজ বা ওমরাহ কবুল হওয়ার জন্য দোয়া করা যায়।
পুরুষদের তাওয়াফের সুন্নত আমল
তাওয়াফের ক্ষেত্রে পুরুষদের জন্য কিছু সুন্নত আমল রয়েছে। এগুলো তাওয়াফের ধরন ও প্রযোজ্যতার ওপর নির্ভর করে।
ইজতিবা
ইজতিবা হলো পুরুষের ইহরামের চাদরের মাঝখান ডান বগলের নিচ দিয়ে নিয়ে দুই প্রান্ত বাম কাঁধের ওপর রাখা। এতে ডান কাঁধ খোলা থাকে।
ওমরাহর তাওয়াফ ও তাওয়াফে কুদুমের মতো যেসব তাওয়াফে ইজতিবা প্রযোজ্য, সেসব তাওয়াফের সাত চক্করেই এটি করা হয়। তাওয়াফ শেষ হলে ইহরামের চাদর স্বাভাবিকভাবে দুই কাঁধের ওপর রাখতে হবে।
রমল
রমল হলো স্বাভাবিক হাঁটার চেয়ে কিছুটা দ্রুত, দৃঢ় ভঙ্গিতে ছোট ছোট পদক্ষেপে হাঁটা। পুরুষদের জন্য তাওয়াফে কুদুম এবং প্রযোজ্য কিছু তাওয়াফে প্রথম তিন চক্করে রমল করা সুন্নত। পরবর্তী চার চক্কর স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে হয়।
নারীদের জন্য ইজতিবা ও রমল প্রযোজ্য নয়। তারা সব চক্কর স্বাভাবিক ও শালীন গতিতে সম্পন্ন করবেন।
প্রচণ্ড ভিড়, অসুস্থতা বা অন্য মুসল্লিদের কষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকলে জোর করে দ্রুত হাঁটা উচিত নয়।
তাওয়াফের সময় হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানি স্পর্শ করার নিয়ম
হাজরে আসওয়াদ
হাজরে আসওয়াদ তাওয়াফের শুরু ও শেষের চিহ্ন। সম্ভব হলে চুম্বন বা স্পর্শ করা সুন্নত। কিন্তু ভিড়ের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি করে পাথর স্পর্শ করা বা চুম্বন করার চেষ্টা করা উচিত নয়।
স্পর্শ করা সম্ভব না হলে দূর থেকে ডান হাতের ইশারা করে তাকবির বলা যায়।
রুকনে ইয়ামানি
রুকনে ইয়ামানি হলো কাবা শরীফের একটি কোণ। সম্ভব হলে ডান হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায়। তবে এটিতে চুম্বন করা সুন্নত নয়।
স্পর্শ করা সম্ভব না হলে ধাক্কাধাক্কি না করে স্বাভাবিকভাবে এগিয়ে যেতে হবে। রুকনে ইয়ামানির দিকে দূর থেকে ইশারা করার প্রয়োজন নেই।
তাওয়াফের সময় যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
তাওয়াফের সময় নিজের ইবাদতের পাশাপাশি অন্য মুসল্লিদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্যের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে।
-
কাবা শরীফকে বাম পাশে রেখে তাওয়াফ করুন।
-
হাজরে আসওয়াদ বরাবর থেকে চক্কর শুরু করুন।
-
সাত চক্কর পূর্ণ করার বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
-
হাতিমের ভেতর দিয়ে তাওয়াফ করবেন না।
-
হাজরে আসওয়াদ চুম্বন বা স্পর্শের জন্য ধাক্কাধাক্কি করবেন না।
-
তাওয়াফের সময় অন্য মুসল্লিদের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করবেন না।
-
ভিড়ের মধ্যে জোরে দ্রুত হাঁটা বা দৌড়ানোর চেষ্টা করবেন না।
-
তাওয়াফের সময় অপ্রয়োজনীয় কথা ও মোবাইল ব্যবহারে ব্যস্ত না থেকে ইবাদতে মনোযোগ দিন।
-
শরীর অসুস্থ হলে বা অতিরিক্ত ক্লান্তি অনুভব করলে নিরাপদভাবে বিশ্রাম নিন।
তাওয়াফ শেষ করার পর কী করতে হয়?
সাত চক্কর পূর্ণ করার পর তাওয়াফের দুই রাকাত নামাজ আদায় করতে হয়। সম্ভব হলে মাকামে ইব্রাহিমের পেছনে নামাজ পড়ুন। সেখানে ভিড় থাকলে মসজিদুল হারামের অন্য উপযুক্ত স্থানে নামাজ পড়া যায়।
নামাজ শেষে সম্ভব হলে জমজমের পানি পান করতে পারেন। ওমরাহর তাওয়াফ হলে এরপর সাফা ও মারওয়ার মধ্যে সাঈ করতে হয়। হজের তাওয়াফের ধরন অনুযায়ী পরবর্তী আমল সম্পন্ন করতে হবে।
তাওয়াফ সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
তাওয়াফ কয় চক্কর দিতে হয়?
তাওয়াফ সাত চক্করে সম্পন্ন হয়। হাজরে আসওয়াদ থেকে শুরু করে আবার হাজরে আসওয়াদ বরাবর ফিরে এলে এক চক্কর পূর্ণ হয়।
তাওয়াফ কি হাজরে আসওয়াদ থেকে শুরু করতে হয়?
হ্যাঁ। তাওয়াফের প্রতিটি চক্কর হাজরে আসওয়াদ বরাবর শুরু হয়ে সেখানেই শেষ করতে হয়।
তাওয়াফের সময় কোন দোয়া পড়তে হয়?
তাওয়াফের প্রতিটি চক্করের জন্য আলাদা বাধ্যতামূলক দোয়া নেই। জিকির, তাকবির, কোরআন তিলাওয়াত এবং নিজের ভাষায় দোয়া করা যায়। রুকনে ইয়ামানি ও হাজরে আসওয়াদের মধ্যবর্তী সময়ে রাব্বানা আতিনা দোয়াটি পড়া সুন্নত।
তাওয়াফের সময় কাবা কোন পাশে থাকবে?
তাওয়াফের পুরো সময় কাবা শরীফ বাম পাশে রেখে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে চলতে হয়।
তাওয়াফ শেষে কত রাকাত নামাজ পড়তে হয়?
তাওয়াফ শেষে দুই রাকাত নামাজ পড়া সুন্নত। সম্ভব হলে মাকামে ইব্রাহিমের পেছনে নামাজ পড়ুন। ভিড় থাকলে মসজিদুল হারামের অন্য উপযুক্ত স্থানে পড়া যায়।
পুরুষদের কি প্রথম তিন চক্করে দ্রুত হাঁটতে হয়?
প্রযোজ্য কিছু তাওয়াফে পুরুষদের জন্য প্রথম তিন চক্করে রমল করা সুন্নত। তবে ভিড় বা অসুবিধা হলে অন্য মুসল্লিদের কষ্ট না দিয়ে নিরাপদভাবে চলতে হবে।
নারীরা কি রমল ও ইজতিবা করবেন?
না। নারীদের জন্য রমল ও ইজতিবা প্রযোজ্য নয়। তারা সব চক্কর স্বাভাবিক ও শালীন গতিতে সম্পন্ন করবেন।
তাওয়াফের সময় ওযু নষ্ট হলে কী করতে হবে?
ওযু নষ্ট হলে তাওয়াফের পবিত্রতা সংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী করণীয় নির্ধারণ করতে হবে। অধিকাংশ আলেমের মতে, পুনরায় ওযু করে তাওয়াফ সম্পন্ন করতে হয়। এ বিষয়ে নিজের অনুসৃত মাজহাবের নির্ভরযোগ্য আলেমের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
তাওয়াফ হজ ও ওমরাহর একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। সঠিকভাবে তাওয়াফ করতে হলে হাজরে আসওয়াদ থেকে শুরু করে কাবা শরীফ বাম পাশে রেখে সাত চক্কর সম্পন্ন করতে হবে। তাওয়াফের সময় জিকির ও দোয়া করা, অন্য মুসল্লিদের প্রতি সম্মান দেখানো এবং নির্ধারিত আমলগুলো যথাযথভাবে পালন করা গুরুত্বপূর্ণ।
হজ বা ওমরাহ পালনের আগে তাওয়াফের নিয়মগুলো ভালোভাবে শিখে নিন। কোনো বিষয়ে সন্দেহ থাকলে অভিজ্ঞ আলেম, হজ গাইড বা নির্ভরযোগ্য ধর্মীয় নির্দেশনার সাহায্য নিন। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলের হজ ও ওমরাহ কবুল করুন। আমিন।